গবেষণাই :- Taspiya Liza
বেদের কল্কি অবতার এবং নবী মোহাম্মদ (সঃ) শুনতে অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে হিন্দুদের ধর্ম গ্রন্থ বেদে নবী মোহাম্মদ (সঃ) সম্পর্কে যতগুলো ভবিষ্যৎবাণী করা হয়েছে, তা আর অন্য কোনো ধর্মগ্রন্থে এতটা করা হয়নি। আসুন দেখি বেদ এবং তার বিশেষজ্ঞগণ কি বলেন। হিন্দু ধর্মের বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. বেদপ্রকাশ উপাধ্যায় তার কল্কি অবতার এবং মোহাম্মদ সাহেব গ্রন্থে বেদকে বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বলেন,
১। “হোতার মিন্দ্রো হোতার মিন্দ্রো মহাসূরিন্দ্রাঃ অল্লো জ্যেষ্টং শ্রেষ্ঠং পরমং ব্রহ্মণং অল্লাম ॥ অল্লো রসূল মোহাম্মদ রকং বরস্য অল্লো অল্লাম। আদাল্লাং বুকমেকং অল্লাবুকং লিখর্তকম।” অর্থ: দেবতাদের রাজা আল্লাহ আদি ও সকলের বড় ইন্দ্রের গুরু। আল্লাহ পূর্ণ ব্রহ্ম, মোহাম্মদ আল্লাহর রাসূল পরম বরণীয় আল্লাহ আল্লাহ। তাঁহার অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ আর কেহ নাই। আল্লাহ অক্ষয় অব্যয় স্বয়ম্ভু। (কল্কি অবতার এবং মোহাম্মদ সাহেব-২৩)
২। হিন্দুধর্মের শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ সংস্কারক শ্রীশ্রী বালক ব্রহ্মচারী সামবেদে শ্রীকৃষ্ণের নাম-গন্ধও নাই বলে উল্লেখ করেছেন। সেখানে যার নাম আছে তাঁর নাম ‘‘মদৌ বর্তিতা দেবাদ কারান্তে প্রকৃত্তিতা । বৃষানাং ভক্ষয়েৎ সদা মেদা শাস্ত্রেচ স্মৃতা। ” যে দেবের নামের প্রথম অক্ষর ‘ম’ ও শেষ ‘দ’ এবং যিনি বৃষমাংস ভক্ষণ সর্বকালের জন্য পূর্ণ বৈধ করিবেন তিনিই হইবেন বেদানুযয়ী ঋষি”মোহাম্মদ -এর নামের প্রথম ও শেষ অক্ষর বেদের নির্দেশ যথাক্রমে ‘ম’ ও ‘দ’ হওয়াতে তাঁকে মান্যকরাও শাস্ত্রেরই নির্দেশ। (কল্কি অবতার এবং মোহাম্মদ সাহেব-২৩)
৩। “লা-ইলাহা হরতি পাপম ইল্ইলাহা পরম পাদম, জন্ম বৈকুণ্ঠ অপ ইনুতি ত জপি নাম মুহম্মদ ” অর্থ: লা-ইলাহার আশ্রয় ছাড়া পাপ মুক্তির কোনো প্রকৃত আশ্রয় নাই। বৈকুণ্ঠে জন্ম লাভের আশা করিলে ইলাহর আশ্রয় নেয়া ছাড়া কোনো গতি নাই। আর এ জন্য মুহাম্মাদ - এর প্রদর্শিত পথের অনুসরণ ও অনুকরণ একান্তই অপরিহার্য। (কল্কি অবতার এবং মোহাম্মদ সাহেব-২২)
৪। অল্লো রসুল মহম্মদ রকং বরস্য। ” স্মিন্নস্তিদরে ম্লেচ্ছ আচার্যেন সমন্বিতঃ। মহামদ ইতখ্যাতঃ শিষ্যশাখা সমম্বিতঃ। নৃপশ্চৈব মহাদেবং মুস্থল নিবাসিনম। চন্দনাদিভির ভ্যার্চ্য তুষ্টার মনসা র্হম। নমস্তে গিরিজানাথ মুরুস্থল নিবাসিনম।। ত্রিপুরাসুনাশায় বহুমায়া প্রবর্তিনে।। ম্লেচ্ছৈর্গপ্তায় শুদ্ধায সচিছাদানন্দরুপিণে। ‘যথাসময়ে ‘মহাম্মদ’ নামে একজন মহাপুরুষ আবির্ভূত হইবেন যাহার মরুস্থ (আরব দেশে) সাথে স্বয় সহচরবৃন্দও থাকিবেন। হে মরুর প্রভু! হে জগতগুরু! আপনার প্রতি আমাদের স্তুতিবাদ। আপনি জগতের সমুদয় কলুষাদি ধ্বংসের উপয় অবগত আছেন। আপনাকে প্রণতি জানাই। হে মহাত্মা! আমরা আপনার দাসানুদাস। আমাদেরকে আপনার পদমূলে আশ্রয় প্রদান করুন। (কল্কি অবতার এবং মোহাম্মদ সাহেব-২৪)
এবার আসি বেদের কথায়, হিন্দুধর্মের পরিভাষায় রসূলকে অবতার বলা হয়। সামনে আমরা অবতার নিয়েই আলোচনা করবো। ঈশ্বরের পক্ষ থেকে যাকে অবতীর্ণ করা হয় তাকেই অবতার বলা হয়। সে হিসেবে যিনি সর্ব শেষে আসবেন তাকেই অন্তিম অবতার বলাহয়। অন্তিম অর্থ শেষ এবং অবতার অর্থ রাসূল অর্থাৎ শেষ রাসুল। হিন্দুধর্মে যুগ চারটি সত্য, ত্রেতা, দাপর, কলি। কলিযুগের শেষ অবতার যাকে আমাদের পরিভাষায় শেষনবী বলি সেই কল্কি অবতারের নাম পিতার নাম, জন্মস্থান ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা আপনাদের ধর্মীয় গ্রন্থে পাওয়া যায়, আপনারা যার অপেক্ষা করছেন, এগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় সকল মানুষের নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রমাণিত হয়। নিম্নে তার বর্ণনা দেয়া হলো। অন্তিম অবতারের নাম অন্তিম অবতার বা শেষ রাসূলের নাম হবে ‘নরাশংস’। “নরাশংসং সৃধৃষ্টমমপশ্যং সপ্রথস্তমং দিবো ন সদ্মম খস॥ ৯ (ঋগে¦দ ১/১৮/৯) আমরা একটু বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, ‘নরাশংস’ সংস্কৃত ভাষা। যার বাংলা অর্থ হয় ‘প্রশংসিত ব্যক্তি’। যার আরবী অর্থ হয় ‘মুহাম্মদ’। আর সকল মানুষের সর্ব শেষ নবীর নাম হলো মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
অন্তিম অবতারের পিতার নাম অন্তিম অবতারের পিতার নাম হবে ‘বিষ্ণযশা’। ‘‘সুমত্যাং বিষ্ণুযশসা গর্ভমাধত্ত বৈষ্ণবম্।’’ (কল্কি-পুরান-১/২/১১) এর বিশ্লেষণ করলে দেখাযাবে, ‘বিষ্ণযশা’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা। যার বাংলা অর্থ হয়, ‘মালিকের দাস’। যার আরবী অনুবাদ হয়‘ আবদুল্লাহ’। আর সর্ব শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লামের পিতার নাম ছিল আবদুল্লাহ। অন্তিম অবতারের মাতার নাম অন্তিম অবতারের মাতার নাম সম্পর্কে কল্কি পুরানে লিখা আছে যে, তার নাম হবে ‘সুমতি’। ‘‘সুমত্যাং মাতরি বিভো। কন্যায়াংত্বন্নিদেশত:।।” (কল্কিপুরাণ-১/২/৪) এর বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, ‘সুমতি’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা। যার বাংলা অর্থ হয় ‘নিরাপদ-শান্তি’। যার আরবী অনুবাদ হয় ‘আমেনা’। আর সর্ব শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাতার নাম ছিল আমেনা। অন্তিম অবতারের জন্মস্থান অন্তিম অবতারের জন্মস্থান সম্পর্কে কল্কি পুরানে লেখা আছে, তিনি জন্ম গ্রহণ করবেন , ‘শম্ভল’ নামক স্থানে। ‘‘শম্ভলে বিষ্ণুযশসো গৃহে প্রদুর্ভবাম্যহম।’’ (কল্কিপুরাণ-১/২/৪) এর বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, ‘শম্ভল’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা। যার বাংলা অর্থ হয়, ‘শান্তির স্থান’। যার আরবী অনুবাদ হয়‘ বালাদুল আমিন’। আর মক্কা মুকাররমার নাম হলো, বালাদুল আমিন। আর মুহাম্মদ সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় জন্মগ্রহণ করেছেন। অন্তিম অবতারের জন্ম তারিখ অন্তিম অবতার ‘মাধব মাসের শুক্ল পক্ষের দ্বাদশ তারিখে জন্মগ্রহণ করবেন।’ ‘‘দ্বাদশ্যাং শুক্লপক্ষস্য মাধবে মাসি মাধবঃ।” ‘‘দ্বাদশ্যাং শুক্লপক্ষস্য মাধবে মাসি মাধবঃ।” (কল্কিপুরাণ-১/২/১৫) মাধব অর্থ বৈশাখ মাস, বিক্রমী ক্যালেন্ডার মতে বৈশাখকে বসন্তের মাস বলা হয়, যার আরবী অর্থ হয় ‘রবি’। শুক্ল পক্ষ, অর্থাৎ ‘প্রথম অংশ’ যার আরবী অনুবাদ হয়, ‘আউওয়াল’। একত্রে হয় ‘রবিউল আউওয়াল’ দ্বাদশ তারিখ অর্থাৎ ১২ তারিখ। আর সর্বশেষ সকল মানুষের নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘রবিউল আউওয়াল মাসের ১২তারিখে জন্মগ্রহণ করেছেন।।
১। “হোতার মিন্দ্রো হোতার মিন্দ্রো মহাসূরিন্দ্রাঃ অল্লো জ্যেষ্টং শ্রেষ্ঠং পরমং ব্রহ্মণং অল্লাম ॥ অল্লো রসূল মোহাম্মদ রকং বরস্য অল্লো অল্লাম। আদাল্লাং বুকমেকং অল্লাবুকং লিখর্তকম।” অর্থ: দেবতাদের রাজা আল্লাহ আদি ও সকলের বড় ইন্দ্রের গুরু। আল্লাহ পূর্ণ ব্রহ্ম, মোহাম্মদ আল্লাহর রাসূল পরম বরণীয় আল্লাহ আল্লাহ। তাঁহার অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ আর কেহ নাই। আল্লাহ অক্ষয় অব্যয় স্বয়ম্ভু। (কল্কি অবতার এবং মোহাম্মদ সাহেব-২৩)
২। হিন্দুধর্মের শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ সংস্কারক শ্রীশ্রী বালক ব্রহ্মচারী সামবেদে শ্রীকৃষ্ণের নাম-গন্ধও নাই বলে উল্লেখ করেছেন। সেখানে যার নাম আছে তাঁর নাম ‘‘মদৌ বর্তিতা দেবাদ কারান্তে প্রকৃত্তিতা । বৃষানাং ভক্ষয়েৎ সদা মেদা শাস্ত্রেচ স্মৃতা। ” যে দেবের নামের প্রথম অক্ষর ‘ম’ ও শেষ ‘দ’ এবং যিনি বৃষমাংস ভক্ষণ সর্বকালের জন্য পূর্ণ বৈধ করিবেন তিনিই হইবেন বেদানুযয়ী ঋষি”মোহাম্মদ -এর নামের প্রথম ও শেষ অক্ষর বেদের নির্দেশ যথাক্রমে ‘ম’ ও ‘দ’ হওয়াতে তাঁকে মান্যকরাও শাস্ত্রেরই নির্দেশ। (কল্কি অবতার এবং মোহাম্মদ সাহেব-২৩)
৩। “লা-ইলাহা হরতি পাপম ইল্ইলাহা পরম পাদম, জন্ম বৈকুণ্ঠ অপ ইনুতি ত জপি নাম মুহম্মদ ” অর্থ: লা-ইলাহার আশ্রয় ছাড়া পাপ মুক্তির কোনো প্রকৃত আশ্রয় নাই। বৈকুণ্ঠে জন্ম লাভের আশা করিলে ইলাহর আশ্রয় নেয়া ছাড়া কোনো গতি নাই। আর এ জন্য মুহাম্মাদ - এর প্রদর্শিত পথের অনুসরণ ও অনুকরণ একান্তই অপরিহার্য। (কল্কি অবতার এবং মোহাম্মদ সাহেব-২২)
৪। অল্লো রসুল মহম্মদ রকং বরস্য। ” স্মিন্নস্তিদরে ম্লেচ্ছ আচার্যেন সমন্বিতঃ। মহামদ ইতখ্যাতঃ শিষ্যশাখা সমম্বিতঃ। নৃপশ্চৈব মহাদেবং মুস্থল নিবাসিনম। চন্দনাদিভির ভ্যার্চ্য তুষ্টার মনসা র্হম। নমস্তে গিরিজানাথ মুরুস্থল নিবাসিনম।। ত্রিপুরাসুনাশায় বহুমায়া প্রবর্তিনে।। ম্লেচ্ছৈর্গপ্তায় শুদ্ধায সচিছাদানন্দরুপিণে। ‘যথাসময়ে ‘মহাম্মদ’ নামে একজন মহাপুরুষ আবির্ভূত হইবেন যাহার মরুস্থ (আরব দেশে) সাথে স্বয় সহচরবৃন্দও থাকিবেন। হে মরুর প্রভু! হে জগতগুরু! আপনার প্রতি আমাদের স্তুতিবাদ। আপনি জগতের সমুদয় কলুষাদি ধ্বংসের উপয় অবগত আছেন। আপনাকে প্রণতি জানাই। হে মহাত্মা! আমরা আপনার দাসানুদাস। আমাদেরকে আপনার পদমূলে আশ্রয় প্রদান করুন। (কল্কি অবতার এবং মোহাম্মদ সাহেব-২৪)
এবার আসি বেদের কথায়, হিন্দুধর্মের পরিভাষায় রসূলকে অবতার বলা হয়। সামনে আমরা অবতার নিয়েই আলোচনা করবো। ঈশ্বরের পক্ষ থেকে যাকে অবতীর্ণ করা হয় তাকেই অবতার বলা হয়। সে হিসেবে যিনি সর্ব শেষে আসবেন তাকেই অন্তিম অবতার বলাহয়। অন্তিম অর্থ শেষ এবং অবতার অর্থ রাসূল অর্থাৎ শেষ রাসুল। হিন্দুধর্মে যুগ চারটি সত্য, ত্রেতা, দাপর, কলি। কলিযুগের শেষ অবতার যাকে আমাদের পরিভাষায় শেষনবী বলি সেই কল্কি অবতারের নাম পিতার নাম, জন্মস্থান ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা আপনাদের ধর্মীয় গ্রন্থে পাওয়া যায়, আপনারা যার অপেক্ষা করছেন, এগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় সকল মানুষের নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রমাণিত হয়। নিম্নে তার বর্ণনা দেয়া হলো। অন্তিম অবতারের নাম অন্তিম অবতার বা শেষ রাসূলের নাম হবে ‘নরাশংস’। “নরাশংসং সৃধৃষ্টমমপশ্যং সপ্রথস্তমং দিবো ন সদ্মম খস॥ ৯ (ঋগে¦দ ১/১৮/৯) আমরা একটু বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, ‘নরাশংস’ সংস্কৃত ভাষা। যার বাংলা অর্থ হয় ‘প্রশংসিত ব্যক্তি’। যার আরবী অর্থ হয় ‘মুহাম্মদ’। আর সকল মানুষের সর্ব শেষ নবীর নাম হলো মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
অন্তিম অবতারের পিতার নাম অন্তিম অবতারের পিতার নাম হবে ‘বিষ্ণযশা’। ‘‘সুমত্যাং বিষ্ণুযশসা গর্ভমাধত্ত বৈষ্ণবম্।’’ (কল্কি-পুরান-১/২/১১) এর বিশ্লেষণ করলে দেখাযাবে, ‘বিষ্ণযশা’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা। যার বাংলা অর্থ হয়, ‘মালিকের দাস’। যার আরবী অনুবাদ হয়‘ আবদুল্লাহ’। আর সর্ব শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লামের পিতার নাম ছিল আবদুল্লাহ। অন্তিম অবতারের মাতার নাম অন্তিম অবতারের মাতার নাম সম্পর্কে কল্কি পুরানে লিখা আছে যে, তার নাম হবে ‘সুমতি’। ‘‘সুমত্যাং মাতরি বিভো। কন্যায়াংত্বন্নিদেশত:।।” (কল্কিপুরাণ-১/২/৪) এর বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, ‘সুমতি’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা। যার বাংলা অর্থ হয় ‘নিরাপদ-শান্তি’। যার আরবী অনুবাদ হয় ‘আমেনা’। আর সর্ব শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাতার নাম ছিল আমেনা। অন্তিম অবতারের জন্মস্থান অন্তিম অবতারের জন্মস্থান সম্পর্কে কল্কি পুরানে লেখা আছে, তিনি জন্ম গ্রহণ করবেন , ‘শম্ভল’ নামক স্থানে। ‘‘শম্ভলে বিষ্ণুযশসো গৃহে প্রদুর্ভবাম্যহম।’’ (কল্কিপুরাণ-১/২/৪) এর বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, ‘শম্ভল’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা। যার বাংলা অর্থ হয়, ‘শান্তির স্থান’। যার আরবী অনুবাদ হয়‘ বালাদুল আমিন’। আর মক্কা মুকাররমার নাম হলো, বালাদুল আমিন। আর মুহাম্মদ সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় জন্মগ্রহণ করেছেন। অন্তিম অবতারের জন্ম তারিখ অন্তিম অবতার ‘মাধব মাসের শুক্ল পক্ষের দ্বাদশ তারিখে জন্মগ্রহণ করবেন।’ ‘‘দ্বাদশ্যাং শুক্লপক্ষস্য মাধবে মাসি মাধবঃ।” ‘‘দ্বাদশ্যাং শুক্লপক্ষস্য মাধবে মাসি মাধবঃ।” (কল্কিপুরাণ-১/২/১৫) মাধব অর্থ বৈশাখ মাস, বিক্রমী ক্যালেন্ডার মতে বৈশাখকে বসন্তের মাস বলা হয়, যার আরবী অর্থ হয় ‘রবি’। শুক্ল পক্ষ, অর্থাৎ ‘প্রথম অংশ’ যার আরবী অনুবাদ হয়, ‘আউওয়াল’। একত্রে হয় ‘রবিউল আউওয়াল’ দ্বাদশ তারিখ অর্থাৎ ১২ তারিখ। আর সর্বশেষ সকল মানুষের নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘রবিউল আউওয়াল মাসের ১২তারিখে জন্মগ্রহণ করেছেন।।
২য় গবেষণাই:- মার্জিয়া জান্নাত কুলসুমা
এই একটা পোস্ট দিয়ে পৃথিবীর সকল নাস্তিকতা ব্যান করে দিলাম!! এবং এই একটা পোস্ট দিয়ে পৃথিবীর সকল মানুষকে এক করে দেয়া যায়!! যদি সে মানুষগুলো সাম্যবাদে বিশ্বাস রাখে এবং বাপ দাদার কান কথায় অন্ধভাবে ধর্মের অনুসরণ অনুকরণ না করে থাকেন!!
______________________________________
অভিযােগ:- এক নাস্তিক ভাই বললেন আমি চ্যালেঞ্জ করলাম ইসলাম সহ সকল ধর্মই মানবরচিত। সব ধর্ম বুলশিট এবং ইসলাম ধর্ম সব চেয়ে বড় বুলশিট!!
জবাব: অমুসলিমদের ধারনা এমনকি অনেক মুসলিমদেরও ধারনা ইসলামের প্রবর্তন হয়েছে ১৪০০ বছর আগে, প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সাঃ) এর সময় থেকে। অথচ ইসলাম ছিলো তখন থেকেই, যখন প্রথম মানুষের পা পরে এ পৃথিবীতে কিংবা তারও আগে থেকে এবং হযরত মুহম্মদ (সাঃ) হচ্ছেন শেষ নবী এবং রাসূল। বিভিন্ন সময়ে আল্লাহ তায়ালার অমিয় বানী নিয়ে নবী এবং রাসূলরা (Messengers) আমাদের কাছে এসেছেন। আল্লাহ তায়ালা কোরআন শরীফে বারবার বলেন, এ পৃথিবীতে এমন কোন মানব সম্প্রদায়ের জন্ম হয়নি যাদের কাছে তিনি নবী-রাসূলগনদের পাঠাননি (সূরা ফাতের-অধ্যায় ৩৫ আয়াত ২৪, সূরা রাদ অধ্যায় ১৩ আয়াত ৭, সূরা ইউনুস অধ্যায় ১০ আয়াত ৪৭, সূরা নেহেল অধ্যায় ১৬ আয়াত ৩৬)। আল্লাহ-তায়ালা আল ক্বোরআনে তাঁদের মধ্যে মোট ২৫ জন নবী এবং রাসূলদের নাম উল্লেখ করেন। আমরা বিভিন্ন হাদিস থেকে জানতে পারি প্রায় ১ লক্ষ ২৪ হাজার নবী এবং রাসূল এ পৃথিবীতে এসেছেন।
পৃথিবীতে ইসলাম বাদে যত ধর্মমত ও ধর্মগ্রন্থ আছে সেখানেও নবী (সা.)-এর উচ্চ প্রশংসাসহ তাঁর আগমনের খবর দেয়া হয়েছে। পবিত্র কুরআনে এসেছে, হজরত ঈসা (আ.) শেষ নবী সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্ববাণী করেছিলেন- “এবং স্মরণ কর যখন মরিয়ম পুত্র ঈসা বলেছিলেন, হে ইসরাইল বংশীয়গণ নিশ্চয়ই আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহর প্রেরিত পুরুষ। আমার সামনে যে তাওরাত কিতাব আছে আমি তার সত্যতার প্রমাণকারী এবং এরূপ একজন প্রেরিত পুরুষের সুসংবাদদাতা যিনি আমার পরে আসবেন, যাঁর নাম হবে আহমদ” (সূরা সফ-৬)
আসুন হিন্দু ধর্মে নবী মুহাম্মদ সম্পর্কে কি ভবিষ্যদ্বানী করা আছে তাহা একটু জেনে নেই।
______________________________________
হিন্দু ধর্মের গোপন তথ্য । হিন্দুগ্রন্থে হযরত মুহাম্মদ
(সাঃ) এর পরিচয় ও হিন্দু
সম্প্রদায়কে ইসলাম গ্রহনের নির্দেশ ।
যে জন্য যুগে যুগে বহু সত্য সন্ধানী শিক্ষিত হিন্দু , ইসলাম
গ্রহন করেন ।
কল্কি অবতারের (শেষ নবীর) নামঃ নরাশংস।
পিতার নামঃ বিষ্ণুযশ ।
মাতার নামঃ সুমতি ।
জন্মস্থলঃ সম্ভল ।
জন্মতারিখঃ মাধব মাসের শুক্ল
পক্ষের দ্বাদশ তারিখ ।
এবারউপরের পরিচয়টা যে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর সেটা
দেখুন । নাম-
সংস্কৃতেঃ নরাসংশ =
অর্থঃ প্রশংসিত (বেদঋগ্ বেদ ১-১৮-৯)
আরবীতেঃ মুহাম্মদ=
অর্থঃ প্রশংসিত । (কুরঅন ৪৮-২৯,
৩৩-৪০) এবং আহমদ শব্দ
বেদঋগ্বেদে ৮-৬-১০ , ও কুরআনে ৬১-৬
। পিতার নামঃ
সংস্কৃতেঃ বিষ্ণুযশ=অর্থঃ প্রভুর
দাশ , (শ্রীমদ্ভাগবত
মহাপুরান ১-৩-২৫)
আরবীতেঃ আবদুল্লাহ= অর্থঃ প্রভুর
দাশ
মাতার
নামঃ সংস্কৃতেঃ সুমতি= অর্থঃ শান্তি (কল্কি পুরান ১-৪),
আরবীতেঃ আমিনা=অর্থঃ শান্তি ।
জন্মস্থানঃ সংস্কৃতেঃ সম্ভল=অর্থ
শান্তির ঘর (শ্রীমদ্ভগবত
মহাপুরান
১২-২-১৮) আরবীতেঃ দারুল আমান=
অর্থঃ শান্তির ঘর । মক্কাকে বালাদুল
আমিন অর্থ
শান্তির শহরও বলা হয় ।
জন্ম তারিখঃ মাধব
মাসের শুক্ল পক্ষের দ্বাদশ তারিখ জন্ম
গ্রহণ করবেন । অর্থাত বৈশাখ মাসের
(শুক্লপক্ষ)
প্রথম অংশে ১২
তারিখে জন্ম
গ্রহণ করবেন ।
কল্কিপুরান ১-২-১৫
বিক্রমী ক্যালেন্ডারে বৈশাখ
মাসকে বসন্ত
কাল বলে । আরবীতেঃ রবি অর্থ=
বসন্ত ,আওয়াল অর্থ= প্রথম অংশ
। একত্রে রবিউল আওয়াল
অর্থঃ বসন্তের
প্রথম অংশ । দ্বাদশ অর্থ ১২ ।
প্রশিদ্ধ
মতানুযায়ী ১২ রবিউল
আওয়ালে হযরত মুহাম্মদ সাঃ জন্ম
গ্রহন করেছেন । সমাপ্ত
আসুন বৌদ্ধ ধর্মে নবী মুহাম্মদ সম্পর্কে কি ভবিষ্যদ্বানী করা আছে তাহা একটু জেনে নেই।
______________________________________
প্রায় সব বৌদ্ধ ধর্ম গন্থে আছে ভবিষ্যতে একজন মায়িত্রি আসবেন, বলা হয়েছে সেকেন্ড বুক অব ইস্টে ৩৫ নম্বর খন্ডে ২৩৫ পৃষ্ঠায়, একজন মায়িত্রী আসবেন যার কিছু বৈশিষ্ট আর গুন থাকবে, তিনি হাজার হাজার মানুষকে নেতৃত্ব দিবেন যেখানে
আমি নেতৃত্ব দিয়েছি মাত্র কয়েকশো মানুষকে।
এর পর আরো আছে গস্তল অব বুদ্ধায় ২১৭ ও ২১৮ নম্বর পৃষ্ঠায়, আনন্দ বুদ্ধকে প্রশ্ন করলেন, 'হে আশীর্বাদ প্রাপ্ত আপনি যখন চলে যাবেন কে আমাদের পথ দেখাবেন?' গৌতম বুদ্ধ উত্তরে বললেন, 'আমি এই পৃথিবীতে প্রথম বুদ্ধ নই, এমন কি শেষ বুদ্ধ নই, ভবিষ্যতে এই পৃথিবীতে আরএকজন বুদ্ধ আসবেন যিনি পবিত্র, সবার উপরে, যিনি আলোকপ্রাপ্ত, যিনি মঙ্গল জনক, যার রয়েছে বিশ্ব জগতের জ্ঞান, তিনি প্রচার করবেন একটা ভালা ধর্ম, তিনি যে ধর্ম প্রচার করবেন তার শুরুতে গৌরবময় থাকবে, চরম সময়ে গৌরবময় থাকবে এবং শেষ সময়েও গৌরবময় থাকবে। তিনি যে ধর্ম প্রচার করবেন তার ভিত্তি হবে সত্য আর সেঠাই হবে সঠিক জীবনদর্শন আর তার থাকবে হাজার হাজার শিষ্য যেখানে আমার রয়েছে মাত্র কয়েকশ শিষ্য।
বুদ্ধের প্রধান শিষ্য আনন্দ তাঁকে প্রশ্ন করল, আমরা তাঁকে চিনব কিভাবে? বুদ্ধ উত্তর দিলেন, 'সেই লোকের নাম হবে 'মায়িত্রী' । মায়িত্রী অর্থৎ 'ক্ষমাশীল, স্নেহময়, দয়ালু, করুনাময় এই শব্দটার আরবী করলে হবে 'রাহমা'।
আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেছেন, 'সূরা আম্বিয়ার ১০৭ নং আয়াতে, "অমা আরসালনাকা ইল্লা রমতুল্লিল আলামিন" অর্থ- আমিতো তোমাকে শুধুমাত্র পাঠিয়েছি বিশ্ব জগতের প্রতি রহমত হিসাবে, জীবজগতের প্রতি রহমত হিসাবে পুরো মানুষ জাতীর প্রতি রহমত হিসাবে।" এই 'রহমত' এর সমর্থক শব্দ "ক্ষমা" যা পবিত্র কোরআনে আছে সব মিলিয়ে ৪০৯ বার। আর কোরআনের প্রত্যেক সূরা শুধুমাত্র সূরা তওবা বাদে প্রত্যেক সূরার শুরুতেই আছে "বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম" দয়াময় পরম দয়াময় আল্লাহর নামে শুরু করছি। তাহলে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রন্থ সমূহে মায়িত্রী নামে একজনের ভবিষ্যত বানী করা হয়েছে , তিনি হলেন আমাদের নবী মুহাম্মদ (সঃ), তিনি ছিলেন আলোকপ্রাপ্ত (যখন ওহী নাযিল হত তখন তিনি উজ্জল হতেন) হয়তো প্রশ্ন করবেন ওহী কি? ওহী হচ্ছে আল্লাহর দূত জীবরাঈল (আঃ) যখন নবীর কাছে আসতেন তখন তিনি উজ্জল হতেন। সমাপ্ত
আসুন খ্রিস্টান ধর্মে নবী মুহাম্মদ সম্পর্কে কি ভবিষ্যদ্বানী করা আছে তাহা একটু জেনে নেই।
_______________________________________
বাইবেলে যাকে সত্যের আত্মা, সহায় এবং গ্রীক ভাষায় বলা হয়েছে প্যারাক্লীতোস (শব্দের অর্থ হল প্রসংশিত) – তিনিই হলেন মুহাম্মদ (প্রশংসিত), তিনিই আহম্মদ (প্রশংসনীয়)।
বাইবেলেও অসংখ্যবার হুজুর (সাঃ) এর কথা বলা হয়েছে। ওল্ড টেষ্টামেন্টে বুক অফ ডুইট্রনমি অধ্যায় ১৮, ভার্স নাম্বার ১৮ তে, আল্লাহ তায়ালা মূসা (আঃ)-কে বলছেন, "আমি তোমার ভ্রাতাদিগের মধ্য থেকে আরেকজন নবী আনবো যে হবে তোমারি মতন। আর সে নিজে কিছু বলবেনা, আমি যা তাকে বলতে বলবো সে শুধু তাই বলবে।" বুক অফ আইজাহা অধ্যায় ১৯ ভার্স নাম্বার ১২, তে বলা হয়েছে, "এবং কিতাবখানি নাযিল করা হবে তাঁর উপর যিনি নিরক্ষর। তাকে বলা হবে পড় তোমার প্রভুর নামে, সে বলবে আমি তো পড়তে জানিনা, আমি নিরক্ষর।"সমাপ্ত
______________________________________
এই হলো সংক্ষেপে ৩টা ধর্মে মুহাম্মদ (সা:) এর ভবিষৎবাণী এইভাবে সিক ধর্ম, ফার্সি ধর্ম, এবং ইহুদী ধর্ম থেকেও রেফারেন্স দিতে পারবো যেখানে অজস্র বার ইসলামের নবি মুহাম্মদ (সা:) এর ভবিষৎবাণী তার জন্মের হাজার হাজার বছর আগে করা হয়েছে।
নাস্তিকতা আগে থেকেই মাজা ভাংগা ছিলো এখন পুরোপুরি কবর রচনা করে দিলাম!! আলহামদুলিল্লাহ্
মহান স্রস্টা বলেন:
যখন সত্য এসে মিথ্যার সামনে দাঁড়ায় তখন মিথ্যা বিলুপ্ত হয়। কারণ মিথ্যা তাঁর প্রকৃতগত কারণেই বিলুপ্ত হয়।বানী ইসরাঈল,আয়াত ৮১।
______________________________________
অভিযােগ:- এক নাস্তিক ভাই বললেন আমি চ্যালেঞ্জ করলাম ইসলাম সহ সকল ধর্মই মানবরচিত। সব ধর্ম বুলশিট এবং ইসলাম ধর্ম সব চেয়ে বড় বুলশিট!!
জবাব: অমুসলিমদের ধারনা এমনকি অনেক মুসলিমদেরও ধারনা ইসলামের প্রবর্তন হয়েছে ১৪০০ বছর আগে, প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সাঃ) এর সময় থেকে। অথচ ইসলাম ছিলো তখন থেকেই, যখন প্রথম মানুষের পা পরে এ পৃথিবীতে কিংবা তারও আগে থেকে এবং হযরত মুহম্মদ (সাঃ) হচ্ছেন শেষ নবী এবং রাসূল। বিভিন্ন সময়ে আল্লাহ তায়ালার অমিয় বানী নিয়ে নবী এবং রাসূলরা (Messengers) আমাদের কাছে এসেছেন। আল্লাহ তায়ালা কোরআন শরীফে বারবার বলেন, এ পৃথিবীতে এমন কোন মানব সম্প্রদায়ের জন্ম হয়নি যাদের কাছে তিনি নবী-রাসূলগনদের পাঠাননি (সূরা ফাতের-অধ্যায় ৩৫ আয়াত ২৪, সূরা রাদ অধ্যায় ১৩ আয়াত ৭, সূরা ইউনুস অধ্যায় ১০ আয়াত ৪৭, সূরা নেহেল অধ্যায় ১৬ আয়াত ৩৬)। আল্লাহ-তায়ালা আল ক্বোরআনে তাঁদের মধ্যে মোট ২৫ জন নবী এবং রাসূলদের নাম উল্লেখ করেন। আমরা বিভিন্ন হাদিস থেকে জানতে পারি প্রায় ১ লক্ষ ২৪ হাজার নবী এবং রাসূল এ পৃথিবীতে এসেছেন।
পৃথিবীতে ইসলাম বাদে যত ধর্মমত ও ধর্মগ্রন্থ আছে সেখানেও নবী (সা.)-এর উচ্চ প্রশংসাসহ তাঁর আগমনের খবর দেয়া হয়েছে। পবিত্র কুরআনে এসেছে, হজরত ঈসা (আ.) শেষ নবী সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্ববাণী করেছিলেন- “এবং স্মরণ কর যখন মরিয়ম পুত্র ঈসা বলেছিলেন, হে ইসরাইল বংশীয়গণ নিশ্চয়ই আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহর প্রেরিত পুরুষ। আমার সামনে যে তাওরাত কিতাব আছে আমি তার সত্যতার প্রমাণকারী এবং এরূপ একজন প্রেরিত পুরুষের সুসংবাদদাতা যিনি আমার পরে আসবেন, যাঁর নাম হবে আহমদ” (সূরা সফ-৬)
আসুন হিন্দু ধর্মে নবী মুহাম্মদ সম্পর্কে কি ভবিষ্যদ্বানী করা আছে তাহা একটু জেনে নেই।
______________________________________
হিন্দু ধর্মের গোপন তথ্য । হিন্দুগ্রন্থে হযরত মুহাম্মদ
(সাঃ) এর পরিচয় ও হিন্দু
সম্প্রদায়কে ইসলাম গ্রহনের নির্দেশ ।
যে জন্য যুগে যুগে বহু সত্য সন্ধানী শিক্ষিত হিন্দু , ইসলাম
গ্রহন করেন ।
কল্কি অবতারের (শেষ নবীর) নামঃ নরাশংস।
পিতার নামঃ বিষ্ণুযশ ।
মাতার নামঃ সুমতি ।
জন্মস্থলঃ সম্ভল ।
জন্মতারিখঃ মাধব মাসের শুক্ল
পক্ষের দ্বাদশ তারিখ ।
এবারউপরের পরিচয়টা যে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর সেটা
দেখুন । নাম-
সংস্কৃতেঃ নরাসংশ =
অর্থঃ প্রশংসিত (বেদঋগ্ বেদ ১-১৮-৯)
আরবীতেঃ মুহাম্মদ=
অর্থঃ প্রশংসিত । (কুরঅন ৪৮-২৯,
৩৩-৪০) এবং আহমদ শব্দ
বেদঋগ্বেদে ৮-৬-১০ , ও কুরআনে ৬১-৬
। পিতার নামঃ
সংস্কৃতেঃ বিষ্ণুযশ=অর্থঃ প্রভুর
দাশ , (শ্রীমদ্ভাগবত
মহাপুরান ১-৩-২৫)
আরবীতেঃ আবদুল্লাহ= অর্থঃ প্রভুর
দাশ
মাতার
নামঃ সংস্কৃতেঃ সুমতি= অর্থঃ শান্তি (কল্কি পুরান ১-৪),
আরবীতেঃ আমিনা=অর্থঃ শান্তি ।
জন্মস্থানঃ সংস্কৃতেঃ সম্ভল=অর্থ
শান্তির ঘর (শ্রীমদ্ভগবত
মহাপুরান
১২-২-১৮) আরবীতেঃ দারুল আমান=
অর্থঃ শান্তির ঘর । মক্কাকে বালাদুল
আমিন অর্থ
শান্তির শহরও বলা হয় ।
জন্ম তারিখঃ মাধব
মাসের শুক্ল পক্ষের দ্বাদশ তারিখ জন্ম
গ্রহণ করবেন । অর্থাত বৈশাখ মাসের
(শুক্লপক্ষ)
প্রথম অংশে ১২
তারিখে জন্ম
গ্রহণ করবেন ।
কল্কিপুরান ১-২-১৫
বিক্রমী ক্যালেন্ডারে বৈশাখ
মাসকে বসন্ত
কাল বলে । আরবীতেঃ রবি অর্থ=
বসন্ত ,আওয়াল অর্থ= প্রথম অংশ
। একত্রে রবিউল আওয়াল
অর্থঃ বসন্তের
প্রথম অংশ । দ্বাদশ অর্থ ১২ ।
প্রশিদ্ধ
মতানুযায়ী ১২ রবিউল
আওয়ালে হযরত মুহাম্মদ সাঃ জন্ম
গ্রহন করেছেন । সমাপ্ত
আসুন বৌদ্ধ ধর্মে নবী মুহাম্মদ সম্পর্কে কি ভবিষ্যদ্বানী করা আছে তাহা একটু জেনে নেই।
______________________________________
প্রায় সব বৌদ্ধ ধর্ম গন্থে আছে ভবিষ্যতে একজন মায়িত্রি আসবেন, বলা হয়েছে সেকেন্ড বুক অব ইস্টে ৩৫ নম্বর খন্ডে ২৩৫ পৃষ্ঠায়, একজন মায়িত্রী আসবেন যার কিছু বৈশিষ্ট আর গুন থাকবে, তিনি হাজার হাজার মানুষকে নেতৃত্ব দিবেন যেখানে
আমি নেতৃত্ব দিয়েছি মাত্র কয়েকশো মানুষকে।
এর পর আরো আছে গস্তল অব বুদ্ধায় ২১৭ ও ২১৮ নম্বর পৃষ্ঠায়, আনন্দ বুদ্ধকে প্রশ্ন করলেন, 'হে আশীর্বাদ প্রাপ্ত আপনি যখন চলে যাবেন কে আমাদের পথ দেখাবেন?' গৌতম বুদ্ধ উত্তরে বললেন, 'আমি এই পৃথিবীতে প্রথম বুদ্ধ নই, এমন কি শেষ বুদ্ধ নই, ভবিষ্যতে এই পৃথিবীতে আরএকজন বুদ্ধ আসবেন যিনি পবিত্র, সবার উপরে, যিনি আলোকপ্রাপ্ত, যিনি মঙ্গল জনক, যার রয়েছে বিশ্ব জগতের জ্ঞান, তিনি প্রচার করবেন একটা ভালা ধর্ম, তিনি যে ধর্ম প্রচার করবেন তার শুরুতে গৌরবময় থাকবে, চরম সময়ে গৌরবময় থাকবে এবং শেষ সময়েও গৌরবময় থাকবে। তিনি যে ধর্ম প্রচার করবেন তার ভিত্তি হবে সত্য আর সেঠাই হবে সঠিক জীবনদর্শন আর তার থাকবে হাজার হাজার শিষ্য যেখানে আমার রয়েছে মাত্র কয়েকশ শিষ্য।
বুদ্ধের প্রধান শিষ্য আনন্দ তাঁকে প্রশ্ন করল, আমরা তাঁকে চিনব কিভাবে? বুদ্ধ উত্তর দিলেন, 'সেই লোকের নাম হবে 'মায়িত্রী' । মায়িত্রী অর্থৎ 'ক্ষমাশীল, স্নেহময়, দয়ালু, করুনাময় এই শব্দটার আরবী করলে হবে 'রাহমা'।
আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেছেন, 'সূরা আম্বিয়ার ১০৭ নং আয়াতে, "অমা আরসালনাকা ইল্লা রমতুল্লিল আলামিন" অর্থ- আমিতো তোমাকে শুধুমাত্র পাঠিয়েছি বিশ্ব জগতের প্রতি রহমত হিসাবে, জীবজগতের প্রতি রহমত হিসাবে পুরো মানুষ জাতীর প্রতি রহমত হিসাবে।" এই 'রহমত' এর সমর্থক শব্দ "ক্ষমা" যা পবিত্র কোরআনে আছে সব মিলিয়ে ৪০৯ বার। আর কোরআনের প্রত্যেক সূরা শুধুমাত্র সূরা তওবা বাদে প্রত্যেক সূরার শুরুতেই আছে "বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম" দয়াময় পরম দয়াময় আল্লাহর নামে শুরু করছি। তাহলে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রন্থ সমূহে মায়িত্রী নামে একজনের ভবিষ্যত বানী করা হয়েছে , তিনি হলেন আমাদের নবী মুহাম্মদ (সঃ), তিনি ছিলেন আলোকপ্রাপ্ত (যখন ওহী নাযিল হত তখন তিনি উজ্জল হতেন) হয়তো প্রশ্ন করবেন ওহী কি? ওহী হচ্ছে আল্লাহর দূত জীবরাঈল (আঃ) যখন নবীর কাছে আসতেন তখন তিনি উজ্জল হতেন। সমাপ্ত
আসুন খ্রিস্টান ধর্মে নবী মুহাম্মদ সম্পর্কে কি ভবিষ্যদ্বানী করা আছে তাহা একটু জেনে নেই।
_______________________________________
বাইবেলে যাকে সত্যের আত্মা, সহায় এবং গ্রীক ভাষায় বলা হয়েছে প্যারাক্লীতোস (শব্দের অর্থ হল প্রসংশিত) – তিনিই হলেন মুহাম্মদ (প্রশংসিত), তিনিই আহম্মদ (প্রশংসনীয়)।
বাইবেলেও অসংখ্যবার হুজুর (সাঃ) এর কথা বলা হয়েছে। ওল্ড টেষ্টামেন্টে বুক অফ ডুইট্রনমি অধ্যায় ১৮, ভার্স নাম্বার ১৮ তে, আল্লাহ তায়ালা মূসা (আঃ)-কে বলছেন, "আমি তোমার ভ্রাতাদিগের মধ্য থেকে আরেকজন নবী আনবো যে হবে তোমারি মতন। আর সে নিজে কিছু বলবেনা, আমি যা তাকে বলতে বলবো সে শুধু তাই বলবে।" বুক অফ আইজাহা অধ্যায় ১৯ ভার্স নাম্বার ১২, তে বলা হয়েছে, "এবং কিতাবখানি নাযিল করা হবে তাঁর উপর যিনি নিরক্ষর। তাকে বলা হবে পড় তোমার প্রভুর নামে, সে বলবে আমি তো পড়তে জানিনা, আমি নিরক্ষর।"সমাপ্ত
______________________________________
এই হলো সংক্ষেপে ৩টা ধর্মে মুহাম্মদ (সা:) এর ভবিষৎবাণী এইভাবে সিক ধর্ম, ফার্সি ধর্ম, এবং ইহুদী ধর্ম থেকেও রেফারেন্স দিতে পারবো যেখানে অজস্র বার ইসলামের নবি মুহাম্মদ (সা:) এর ভবিষৎবাণী তার জন্মের হাজার হাজার বছর আগে করা হয়েছে।
নাস্তিকতা আগে থেকেই মাজা ভাংগা ছিলো এখন পুরোপুরি কবর রচনা করে দিলাম!! আলহামদুলিল্লাহ্
মহান স্রস্টা বলেন:
যখন সত্য এসে মিথ্যার সামনে দাঁড়ায় তখন মিথ্যা বিলুপ্ত হয়। কারণ মিথ্যা তাঁর প্রকৃতগত কারণেই বিলুপ্ত হয়।বানী ইসরাঈল,আয়াত ৮১।

4 Comments
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=134310341724099&id=111293007359166
ReplyDelete"হোতারমিন্দ্র হোতারমিন্দ্র মহাসুরিন্দ্রা
ReplyDeleteঅল্লো জ্যেষ্ঠাং শ্রেষ্ঠাং পরমং পুর্ণ ব্রাক্ষণ অল্লাম
অল্লোরাসুলমহমদকং বরস্যে অল্লো অল্লাম
আদহাল্লাহবকুমে ককম অল্লাবুক নিখাতকম"
এই কথিত মন্ত্রটিতে নাকি বলা হয়েছে আল্লাহ ও নবী রাসুলকে মানার কথা!!
এই মন্ত্রের রেফারেন্স চাইলে জ্ঞানপাপীরা কেউ বলে অল্লোপনিষদ,কেউ বলে কল্কি অবতার ও মোহাম্মদ সাহেব আবার কেউ বলে অথর্ববেদ!!
জবাব,
অথর্ববেদের শাকল্য উপনিষদ নামের কোন উপনিষদই নাই।
অর্থববেদের উপনিষদ তিনটি,
মুন্তক উপনিষদ,
মান্ডুক্য উপনিষদ,
প্রশ্ন উপনিষদ।
অল্লোপনিষদ কোন হিন্দু ধর্মীয় গ্রন্থ নয়।সম্রাট আকবর হিন্দুদের ধর্মান্তরিত করতে, বিভ্রান্ত করতে ও তার প্রবর্তিত দীন-ই-এলাহী নামক ধর্মের প্রচার করতে এই বইটি লিখেছিলেন।বইটি কারা লিখেছিলো তা এই বইয়ের সংস্কৃত দেখেই বুঝা যায়।
সম্রাট আকবরের পর হিন্দুদের বিভ্রান্ত করে ধর্মান্তরিত করতে হিন্দু ভুয়া পন্ডিতের নাম করে কাঁচাপাকা সংস্কৃত শব্দ অং,হোং,চোং ব্যবহার করে কল্কি অবতার ও মোহাম্মদ সাহেব বইটি লিখা হয়।
“লা ইলহা হরতি পাপম ইল্ল ইলহা পরম পদম। জন্ম বৈকুণ্ঠর অপ ইনুতিত জপি নাম মোহাম্মদম।”
এর রেফারেন্স বলা হয়,উত্তরায়ণ বেদ, অন কাহি, পঞ্চম পরিচ্ছেদ
এর মানে নাকি, লা ইলহা পাঠ করলে সব পাপ দূর হয়।স্বর্গ লাভ হয়।স্বর্গ পেতে হলে মুহাম্মদকে অনুসরণ করতে হবে।
জবাব- সংস্কৃত ভাষার নমুনা দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে বাকি নেই এই ষড়যন্ত্র!!!!
হা,হিন্দুদের ধর্মান্তরিত করার ষড়যন্ত্রের আরেক অস্ত্র এটি। আর বর্তমানের বোকা হিন্দুরা তো জানেই না বেদ কয়টা!!!
আসলে উত্তরায়ণ বেদ নামে কোন বেদই নেই।
হিন্দু ধর্মে বেদ চারটি।
সামবেদ,
ঋগ্বেদ,
অথর্ববেদ,
যজুর্বেদ।
তো এখানে উত্তরায়ণ বেদ আসলো কোথা থেকে?? আর এই বিকৃত মন্ত্রইবা এলো কোথা থেকে??
ধর্মজ্ঞানহীন হিন্দুদের বোকা বানিয়ে ধর্মান্তরিত করার জন্যই কি জঘন্য মিথ্যাচার!!!
বর্তমানের অধিকাংশ সনাতনরা জানে না তাদের মূল গ্রন্থে কি বলা আছে এবং তাদের এসব বিষয় থেকে দূরে রাখা হয়েছে।
Delete১.বেদে নরাশংস শব্দটা থাকার ভিত্তিতে বেদে মুহাম্মদ সাঃ এর কথা বলা হয়েছে এটা বলা কতটা যৌক্তিক?
ReplyDeleteপৃথিবীর প্রতিটি মানুষের নামেরই অর্থ আছে। সেই হিসেবে আমার আপনার নামও বেদে পাওয়া যাবে। একবার কংগ্রেস দাবী করে বেদে নাকি সোনিয়া গান্ধীর নাম পাওয়া গেছে কারণ সোনিয়া অর্থ স্বর্ণ আর বেদে স্বর্ণের কথা বলা আছে।
বিষ্ণুযশ অর্থ বিষ্ণুর গর্ব, যশ অর্থ গোলাম বা দাস নয় সেটা সবাই জানে। আর আবদুল্লাহ অর্থ আল্লাহর দাস, গোলাম বা বান্দা। অতএব ভুলভাল অর্থ দাঁড় করিয়ে হিন্দুদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।
সুমতি অর্থ সুন্দর মন, সু অর্থ সুন্দর আর মতি অর্থ মন। অর্থাৎ সুমতি অর্থ শান্তি নয়। সুমতির অর্থের সাথে আমেনার অর্থ মিলে না।
শম্ভুল=শম্ভু+আলয়, অর্থ শিবের নিবাস। শম্ভুল অর্থ কোনোভাবেই শান্তির স্থান নয়। শম্ভুল গ্রামটি ভারতের উত্তরপ্রদেশে অবস্থিত যেখানে কল্কি অবতারের মন্দিরও রয়েছে। অতএব শম্ভুল কোনোভাবেই মক্কা নয়।
সবচেয়ে বড় কথা, কল্কি অবতার আসবেন কলিযুগের শেষে। কলিযুগ শুরু হয়েছিল খ্রীস্টপূর্ব ৩১০২ সালে, এই যুগের আয়ু মোট ৪,৩২,০০০ বছর। তার মানে কল্কি অবতার আসতে আরে ৪,২৭,০০০ বছর বাকি।
কল্কি অবতার ছিলেন পিতামতার চতুর্থ সন্তান কিন্তু মুহাম্মদ সাঃ এর কোনো ভাইবোন ছিল না। কল্কি অবতারের জন্মের সময় তার পিতা জীবিত ছিলেন কিন্তু মুহাম্মদ সাঃ এর জন্মের ছয়মাস আগেই তার পিতা মারা যান।
নবী মুহাম্মদ এর প্রথম স্ত্রী খাদিজার গর্ভেই তার ৬ সন্তান হয় যার মাঝে দুই পুত্র এবং প্রথম পুত্র কাসিম ১ বছর বয়সেই মারা যায়।অপরদিকে কল্কি পুরাণ ১৩.৩৬ মতে কল্কি অবতারের সন্তান ২ টি,২ টি ই পুত্র সন্তান।তাঁদের নাম জয় এবং বিজয়। পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী তারা অনেক বড় বীর এবং অনেক যুদ্ধে অংশ গ্রহন করবেন।
কল্কি পুরান মতে কল্কি অবতারের এর স্ত্রী দুজন যার প্রথমজনের নাম হবে পদ্মাবতী এবং তিনি"সিংহল" এর অধিবাসী যা চতুর্দিকে একটি সমুদ্রবেষ্টিত দ্বীপ।(কল্কিপুরান ৮.৩৯) অপরজনের নাম হবে রমা(৩২.৬) অপরদিকে নবী মুহম্মদের ১৩ জন স্ত্রী ছিলেন এবং তাদের সবাই আরব অঞ্চল এর অধিবাসী ছিলেন।আরব অঞ্চল বিশেষত মক্কা-মদিনা নিশ্চয় সমুদ্রবেষ্টিত কোন দ্বীপ নয়।
আসসালামু আলাইকুম
-----------------------------------
আপনাদের মতামত আমাদের কাছে প্রকাশ করতে পারেন। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করবো আপনার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার।