হাদীসকে প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়-
👉 কাওলী হাদীস।
👉 ফে'লী হাদীস।
👉 তাকরীরী হাদীস।
✪ কাওলী হাদীস:- কোনো বিষয়ে রাসূল (সা) যা বলেছেন, অর্থাৎ যে হাদীসে তাঁর কোন কথা বিধৃত হয়েছে তাকে কাওলী (বাণী সম্পর্কিত) হাদীস বলা হয়।
✪ ফে'লী হাদীস:- মহানবী (সা) এর কাজকর্ম, চরিত্র ও আচার-আচরণের ভেতর দিয়েই ইসলামের যাবতীয় বিধি-বিধান ও রীতিনীতি পরিস্ফুট হয়েছে। অতএব যে হাদীসে তার কোনো কাজের বিবরণ উল্লিখিত হয়েছে তাকে ফে'লী (কর্ম সম্পর্কিত) হাদীস বলে।
✪ তাকরীরী হাদীস:- সাহাবীগণের যে সব কথা বা কাজ নবী করীম (সা) এর অনুমোদন ও সমর্থনপ্রাপ্ত হয়েছে, সে ধরণের কোন কথা বা কাজের বিবরণ হতেও শরী'আতের দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়। আতএব যে হাদীসে এ ধরণের কোনো ঘটনার বা কাজের উল্লেখ পাওয়া যায় তাকে তাকরীরী (সমর্থনমূলক) হাদীস বলে।
👥 হাদীসের অপর নাম সুন্নাহ্ (سنه) সুন্নাত শব্দের অর্থ চলার পথ, কর্মের নীতি ও পদ্ধতি। যে পন্থা ও রীতি নবী করীম (সা) অবলম্বন করতেন তাকে সুন্নাত বলা হয়। অন্য কথায় রাসূল (সা) প্রচারিত উচ্চতম আদর্শ সুন্নাত। মজীদে মহোত্তম ও সুন্দরতম আদর্শ( اسو ۃ حسنه) বলতে এই সুন্নাতকেই বোঝানো হয়েছে।
0 Comments
আসসালামু আলাইকুম
-----------------------------------
আপনাদের মতামত আমাদের কাছে প্রকাশ করতে পারেন। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করবো আপনার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার।